বস্তু এবং বুদ্ধিবৃত্তি


imsজন্ম পক্রিয়ায় প্রাণীয় সত্ত্বাগুলো যান্ত্রিক প্রোডাক্টের অনুরূপেই পৃথিবীকে জানান দেয় তার উপস্থিতি। সত্ত্বাকে মানবরূপে গড়ে তুলতে অনেকটা সাহায্য করে সামাজিকীকরণ। প্রকিৃতির সত্ত্বাগুলোর মধ্যে পার্থক্য করতে বস্তুগত প্রক্রিয়া থেকে জ্ঞানগত কাঠামোকে অধিক মূল্যায়ন করেই সত্ত্বার উপর গুন আরোপ করা হয়। তাকে ভাগ করা হয় বিভিন্ন শ্রেণীতে যেমনঃ মনুষ্যসত্ত্বা, পশুসত্ত্বা ইত্যাদি। মানুষ যখন তার ওরিজিনকে অস্বীকার করে কেবলমাত্র বস্তুগত  সত্ত্বায় নিজেকে রূপান্তরিত করে তখন তার মধ্যে আর মনুষ্যস্পৃহা থাকে না। তার সাথে প্রাণীয় আচরণের যোগসূত্রই তাকে মনুষ্যসত্ত্বা থেকে বিচ্যুতি ঘটায়। তাই প্রত্যেক মানব সত্ত্বার উচিৎ স্প্রিচুয়ালিটিকে কেন্দ্র করে জীবন পরিচালিত করা। মানুষ যেহেতু একটি পবিত্র সৌল থেকে উদ্ভূত সেহেতু তার উচিত জ্ঞানীয় কাঠামোকে প্রাধান্য দিয়ে বস্তুগত সমিৃদ্ধিকে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করা। বস্তু সবসময় মানবীয় গুনাবলির উল্টো দিকে অবস্থান করে। বিস্তারিত পড়ুন

Advertisements

সাংস্কৃতিক আগ্রাসন


Cultural_Aggression

সংস্কৃতি মানুষকে পরিবর্তন করে, না মানুষ সংস্কৃতিকে পরিবর্তন করে, এ নিয়ে ব্যাপক ধোঁয়াশা থাকলেও। এ কথা সবাই মানতে বাধ্য মানুষ এবং সংস্কৃতি সহ অবস্থান করে। সে ক্ষেত্রে সংস্কৃতি মানুষের উপর কতক প্রভাব ফেলতে পারে, আবার মানুষ সংস্কৃতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। ছোট বেলায় আমাদের এক টিচার সংস্কৃতির সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছিলেন যে, সংস্কৃতি হল অনেকটা পেত্নীর মত গাড়ে উঠলে আর নামতে চায় না। এবেলায় পেত্নী আর সংস্কৃতির পার্থক্য বুঝতে পেরেও কেন যেন মনে হচ্ছে স্যার বোধয় কিছু একটা জায়গায় ঠিকই বলেছেন। কারণ বিশ্বায়নের ফলে সংস্কৃতির নামে পাশ্চাত্য-মুখী পুঁজিবাদী, নব্য টেকনোরেশনাল যে আইডিওলজি বাংলার ‘সুবোধ”, “হাবা-গোবা” মানুষের উপর ভর করেছে, তাকে পেত্নী না বলে পারা যায় না। এসব পেত্নীদের বিরক্ত করার জন্য কিছু ওঝা মহল নানা ভাবে সুড়সুড়ি (তদবির) দিয়ে থাকেন। কিন্তু এই সুড়সুড়িতে ঝিমিয়ে থাকা পেত্নীদের কি’বা করা যেতে পারে ? সর্বোচ্চ জাগিয়ে তোলা যেতে পারে।

বিস্তারিত পড়ুন

দি নেকলেস – গাই ডি মোপাসাঁর


মেয়েটি সাদামাটাভাবে জীবন যাপন করত, কেননা এর চেয়ে বেশি কিছু করার সামর্থ্য তাঁর ছিল না। কিন্তু ভিতরে ভিতরে সে ছিল খুবই অসুখী, যেন কোনো স্বর্গের দেবী নিঃস্ব হয়ে ভুল করে পৃথিবীতে চলে এসেছে। তাঁর এমন পরিবারে বিয়ে হয়েছে যেখানে রূপ, লাবণ্য ও সৌন্দর্যের জন্য না আছে কদর, না আছে মর্যাদা, শুধুমাত্র সন্তান জন্ম দেয়া, লালন-পালন করা, সংসার দেখাশুনা করাই যেন সবকিছু। মেয়েদের ক্ষেত্রে অকৃত্রিম কমনীয়তা, সহজাত লাবণ্য আর তুখোড় প্রজ্ঞাই কেবল দিতে পারে তাঁদের মর্যাদার পরিচয়, আর এ গুনগুলো একটি বস্তির মেয়েকেও দেশের সবচেয়ে সম্মানিত মহিলার সমতুল্য করে তুলতে পারে। বিস্তারিত পড়ুন

ফেলানি-ভৌগলিক সীমান্তে লুণ্ঠিত জাতীয়তা


felani_16070_0ফেলানি হত্যার প্রায় ৪বছর শেষ কিন্তু আজও আমরা পাইনি আমাদের বোন “ফেলানি” হত্যার বিচার।

  • ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ফেলানি আজ সেজেছে নতুন রূপে, এই সাজ নিয়ে প্রত্যেক বোনেরই স্বপ্ন থাকে। আর সাজবে নাই বা কেন আজ যে তার বিয়ে ! তার খালাত ভাই অপেক্ষা করছে নব বধুর সাজে ফেলানি কে দেখতে। কিন্তু তার এই অপক্ষা আজও শেষ হয়নি।  এই সাজই কি ছিল ফেলানির অন্তিম সাজ  ? সকাল ১০টা ফেলানি হাঁটছে বধুবেশে। সামনে কাঁটাতার, তাতে কোন সমস্যা নেই ফেলানির বাবা নুরুল ইসলাম দালালদের (BSF যাদের নিয়োগ করেছে) টাকা দিয়ে সীমান্ত পার হয়ার উড়ো টিকিট পেয়ে গেছেন। এই টিকিট যে পরপারের টিকিট সেটা কি আধোও ফেলানি জানতো ?  নুরুল ইসলাম মই কাঁটাতারে ঠেকিয়েছে, তিনি উঠে এসেছেন মইয়ের মাথায়। নিচে হাতদিয়ে টেনে উপরে তুলছেন ফেলানিকে। বিস্তারিত পড়ুন

সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ সম্পর্কে ইমাম হোসাইন (আ.)


মদীনার আলেম ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উদ্দেশে
হে জনগণ! আল্লাহ্ যা দ্বারা স্বীয় বন্ধুদের উপদেশ দেন, তা থেকে উপদেশ গ্রহণ কর, যেমন ইহুদি পর্ণ্ডিতদের সম্পর্কে তাঁর নিন্দাবাণী থেকে।
ইরশাদ হচ্ছে : ‘কেন রব্বানী আলেম ও পণ্ডিতবৃন্দ তাদেরকে অন্যায় কথা থেকে বিরত রাখেনি?’ (সূরা মায়েদা : ৬৫)
অন্যত্র ইরশাদ হচ্ছে : ‘অভিসম্পাতপ্রাপ্ত হয়েছে বনি ইসরাইলের যারা অবিশ্বাসী হয়েছে… কতই না মন্দ যা তারা করে।’ (সূরা মায়েদা : ৭৮-৭৯)
আর নিশ্চয় আল্লাহ্ তাদেরকে এ কারণে ভর্ৎসনা করেছেন যে, তারা তাদের মধ্যে যারা যালিম ছিল তাদের নোংরা ও জঘন্য কাজ প্রত্যক্ষ করত, কিন্তু তাদেরকে তা থেকে নিষেধ করত না- তাদের হাতে যা ছিল তার লোভে এবং কোণঠাসা হয়ে পড়ার ভয়ে। বিস্তারিত পড়ুন

নতুন পাগল-বিশ্বজিৎ চৌধুরী


গল্পটা আমার কাছ থেকে শুনুন; কারণ, আমি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানি।
সুন্দর একটা নাম ছিল গ্রামের। আরশিছড়ি। গ্রামের পাশে যে খাল, তার পানি ছিল আয়নার মতো স্বচ্ছ, তাই আরশিছড়ি। এখন নামটা পাল্টে গেছে। খালে পানি কমে গেছে। পানিও ঘোলা। তবে নাম পরিবর্তনের এটাই কারণ নয়। গ্রামের মানুষের জীবিকার সঙ্গে মিলিয়ে নতুন নাম হয়েছে ‘চোরাইয়ার টেক’। গ্রামে হিন্দু-মুসলমান মিলে ত্রিশ-বত্রিশটা পরিবার। এসব পরিবারের শ খানেক পুরুষ সদস্যের প্রায় সবাই চোর। চোর, কিন্তু মানুষ ভালো। চুরি তাদের পেশা। বিস্তারিত পড়ুন

রসগোল্লা-সৈয়দ মুজতবা আলী


‘চুঙ্গিঘর কথাটা বাঙলা ভাষাতে কখনও বেশি চালু ছিল না বলে আজকের দিনে অধিকাংশ বাঙালী যদি সেটা ভুলে গিয়ে থাকে তবে তাই নিয়ে মর্মাহত হবার কোনো কারণ নেই। ইংরেজিতে একে বলে ‘কাস্টম্ হাউস’, ফরাসিতে ‘দুয়ান, জার্মানে ৎস্ল্-আম্ট্, ফার্সিতে ‘গুমরুক্’ ইত্যাদি। এতগুলো ভাষাতে যে এই লক্ষ্মীছাড়া প্রতিষ্ঠানটার প্রতিশব্দ দিলুম, তার কারণ আজকের দিনে আমার ইয়ার, পাড়ার পাঁচু, ভূতো সবাই সরকারি, নিম-সরকারি, মিন-সরকারি পয়সায় নিত্যনিত্যি কাইরো-কান্দাহার প্যারিস-ভেনিস সর্বত্র নানবিধ কনফারেন্স করতে যায় বলে আর পাকিস্তান হিন্দুস্থান গমনাগমন ত আছেই। বিস্তারিত পড়ুন